ভুয়া চাকরির অফার
ভালো বেতনের লোভ দেখিয়ে ট্রেনিং, সিকিউরিটি বা কাগজপত্রের নাম করে শুরুতেই অ্যাডভান্স টাকা চাওয়া হয়। মনে রাখবেন, আসল কোনো কোম্পানি চাকরির আগে টাকা নেয় না।
সহজ কিছু নিয়ম মেনে চললেই যেকোনো প্রতারণার ফাঁদ এড়িয়ে চলা সম্ভব। টাকা পাঠানো কিংবা কোনো ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করার আগে — একটু থামুন, ভালো করে যাচাই করুন।
১০ জনের মধ্যে ৯ জনই
একটু সচেতন হলেই বাঁচতে পারতেন
১০০% ফ্রি
TrustCheck BD-র সব সেবা
হাজার হাজার
স্ক্যামারের মুখোশ খোলা হয়েছে
মাত্র কয়েক সেকেন্ডের সতর্কতা আপনাকে বড় কোনো বিপদ থেকে বাঁচাতে পারে। প্রতিবার লেনদেনের আগে এই নিয়মগুলো মেনে চলুন।
টাকা পাঠানোর ঠিক আগে TrustCheck BD-তে বিক্রেতার পেজ বা নম্বর সার্চ করুন
কখনো কারো সাথে মোবাইলের OTP শেয়ার করবেন না — একেবারেই না
মনে রাখবেন, কোনো জেনুইন চাকরিতে যোগ দেওয়ার আগে কখনো টাকা চাওয়া হয় না
বাজার মূল্যের চেয়ে অবিশ্বাস্য রকমের লোভনীয় অফার দেখলেই সাবধান হোন
যেকোনো লিংকে ক্লিক করার আগে ব্রাউজারের আসল ঠিকানা (URL) মিলিয়ে নিন
অচেনা কাউকে হুট করে টাকা পাঠানোর আগে সরাসরি ফোন করুন বা দেখা করুন
বিকাশ বা নগদ-এ টাকা পাঠানোর আগে নম্বরটি অন্তত দুইবার ভালো করে দেখে নিন
WhatsApp বা SMS-এ আসা অপরিচিত কোনো লিংকে কখনোই ক্লিক করবেন না
প্রতারকরা সাধারণত একই ধরনের ফাঁদ পাতে। একবার কায়দাটা ধরে ফেলতে পারলে আপনি সহজেই বেঁচে যাবেন।
ভালো বেতনের লোভ দেখিয়ে ট্রেনিং, সিকিউরিটি বা কাগজপত্রের নাম করে শুরুতেই অ্যাডভান্স টাকা চাওয়া হয়। মনে রাখবেন, আসল কোনো কোম্পানি চাকরির আগে টাকা নেয় না।
খুবই কম সুদে এবং বিনা জামানতে ঝটপট লোন দেওয়ার লোভ দেখানো হয়। কিন্তু লোন পাস করানোর দোহাই দিয়ে আগে প্রসেসিং ফি দাবি করা হয়। কোনো আসল ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান এভাবে টাকা নেয় না।
কয়েক দিনে বা কয়েক সপ্তাহে টাকা ডাবল করে দেওয়ার গ্যারান্টি দেওয়া হয়। শুরুতে কিছু লোভাংশ দেখালেও বড় অঙ্কের টাকা ইনভেস্ট করার পরপরই তারা উধাও হয়ে যায় কিংবা সাইট বন্ধ করে দেয়।
ফেসবুক বা ইনবক্সে অচেনা কেউ এসে খুব ভালো বন্ধুত্ব গড়ে তোলে, বিশ্বাস অর্জন করে এবং একটা পর্যায়ে গিয়ে কোনো জরুরি সমস্যার কথা বলে টাকা বা গোপন ছবি/তথ্য হাতিয়ে নেয়।
অনলাইন চুরির বেশিরভাগ ঘটনাই মোবাইল ব্যাংকিংকে কেন্দ্র করে ঘটে। নিজের ওয়ালেট সেফ রাখতে এই নিয়মগুলো সবসময় মাথায় রাখুন।
OTP হলো আপনার সিন্দুকের আসল চাবি। নিজেকে 'ব্যাংক ম্যানেজার', 'বিকাশ হেড অফিস' বা 'কাস্টমার কেয়ার' দাবি করলেও কখনো কাউকে এটি দেবেন না। কোনো জেনুইন প্রতিষ্ঠান আপনার কাছে OTP জানতে চাইবে না।
টাকা 'সেন্ড মানি' বা পেমেন্ট করার আগে নম্বরটি খুব ভালোভাবে মিলিয়ে নিন। প্রতারকরা অনেক সময় আসল প্রতিষ্ঠানের নম্বরের সাথে মিল রেখে ফেক নম্বর ব্যবহার করে। সন্দেহ হলে সরাসরি কল করুন।
শুধুমাত্র নামী এবং চেনা ওয়েবসাইটে আপনার ডেবিট/ক্রেডিট কার্ডের তথ্য দিন। অ্যাড্রেস বারে https:// এবং তালার চিহ্ন আছে কিনা তা নিশ্চিত হয়ে নিন। অচেনা কোনো অ্যাপে কার্ড সেভ করবেন না।
পুরোপুরি নিশ্চিত না হয়ে অপরিচিত কোনো পেজ বা ব্যক্তিকে পণ্য, লোন বা চাকরির জন্য আগে টাকা পাঠাবেন না। মোবাইল ব্যাংকিং-এ একবার টাকা চলে গেলে তা ফেরত আনা অসম্ভব বললেই চলে।
একটিমাত্র ভুল বা হ্যাকিং লিংকে ক্লিক করার কারণে মুহূর্তেই আপনার ফেসবুক আইডি, ব্যক্তিগত তথ্য বা টাকা চুরি হয়ে যেতে পারে।
সব বিশ্বস্ত ও নিরাপদ সাইটের শুরুতে https:// এবং একটি ছোট তালার লোগো থাকে। ব্রাউজারে যদি 'Not Secure' সতর্কবার্তা দেখতে পান, তবে সেই পেজটি সাথে সাথে বন্ধ করে দিন।
bit.ly, cutt.ly কিংবা tinyurl-এর মতো ছোট করা লিংকগুলো আসল ওয়েবসাইটের ঠিকানা লুকিয়ে রাখে। হ্যাকার ও স্ক্যামাররা এগুলো ব্যবহার করে আপনাকে ক্ষতিকর স্প্যাম সাইটে নিয়ে যেতে পারে।
ফেক সাইটগুলো দেখতে হুবহু আসলের মতোই মনে হয়, কিন্তু নামের বানানে ছোটখাটো কারচুপি থাকে। যেমন: 'bkash-bd.com' বা অক্ষরের উলটপালট। কোনো লিংকে ঢোকার আগে নামটা রিড করুন।
লটারি বা অফারের লোভ দেখিয়ে এসএমএস বা ইমেইলে আসা কোনো লিংকে ক্লিক করবেন না। তারা বড় কোনো কোম্পানির নাম ব্যবহার করলেও, আপনি সবসময় তাদের অফিশিয়াল অ্যাপ বা সাইট ব্যবহার করুন।
কোনো স্ক্যামের ফাঁদে পড়া মানেই আপনার সব শেষ হয়ে যাওয়া নয়। এই মুহূর্তে মাথা ঠান্ডা রেখে সঠিক অ্যাকশন নেওয়াটাই সবচেয়ে জরুরি।
কোনো স্ক্যামের ফাঁদে পড়া মানেই আপনার সব শেষ হয়ে যাওয়া নয়। এই মুহূর্তে মাথা ঠান্ডা রেখে সঠিক অ্যাকশন নেওয়াটাই সবচেয়ে জরুরি।
তারা যত ভয়ই দেখাক বা চাপ দিক না কেন, নতুন করে আর এক টাকাও দেবেন না। স্ক্যামাররা সবসময় আরও টাকার জন্য ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল করে। এখনই তাদের সাথে সব যোগাযোগ ব্লক করুন।
অভিযুক্তের সাথে চ্যাটিংয়ের সম্পূর্ণ বিবরণ, টাকা পাঠানোর ট্রানজেকশন আইডি বা রসিদ, তার ফোন নম্বর এবং ফেসবুক প্রোফাইলের লিংক সেভ করে রাখুন। এগুলোই আপনার প্রধান প্রমাণ।
স্ক্যামারের ব্যবহার করা নম্বর, পেজের নাম কিংবা ইউআরএল দিয়ে আমাদের সাইটে একটি রিপোর্ট ফাইল করুন। মাত্র ৫ মিনিট সময় লাগবে, কিন্তু আপনার এই একটি রিপোর্ট হয়তো আরও অনেক মানুষকে বেঁচে যেতে সাহায্য করবে।
লেনদেন করার পরপরই যদি বুঝতে পারেন আপনি প্রতারিত হয়েছেন, তবে দেরি না করে সাথে সাথে বিকাশ, নগদ কিংবা সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের কাস্টমার কেয়ারে কল করে অ্যাকাউন্টটি ফ্রিজ বা রিপোর্ট করার অনুরোধ জানান।
আপনার কাছের থানায় গিয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি (GD) করুন অথবা বাংলাদেশ সাইবার ক্রাইম হেল্পলাইন (জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯)-এ কল করে আপনার প্রমাণগুলো জমা দিয়ে অফিশিয়াল অভিযোগ করুন।
অনলাইন দুনিয়ায় এই লক্ষণগুলো দেখা মাত্রই বুঝে নেবেন ডাল মে কুছ কালা হ্যায়! মনের ভেতর খটকা লাগলে কখনোই এগোবেন না।
কোনো সেবা বা প্রোডাক্ট দেওয়ার আগেই অগ্রিম টাকা দাবি করা
অফারটি শুধু আজকেই আছে, এখনই পেমেন্ট করতে হবে বলে জোর করা
পুরো বিষয়টি গোপন রাখতে বলা এবং কাউকে জানাতে নিষেধ করা
সামনাসামনি দেখা করতে বা লাইভ ভিডিও কলে আসতে সরাসরি অস্বীকৃতি জানানো
মার্কেট প্রাইসের চেয়ে অবিশ্বাস্য রকম কম দাম বা সস্তা অফার দেওয়া
ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা অন্য কোনো মাধ্যম না রেখে শুধু মোবাইল ব্যাংকিং-এ টাকা নেওয়া
কোনো লিংকে ক্লিক করে আপনার ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করতে বলা
কোনো লটারি বা প্রতিযোগিতায় অংশ না নিয়েও হঠাৎ বড় পুরস্কার জেতার খবর আসা
অভিযুক্ত ফেসবুক প্রোফাইল বা বিজনেস পেজটি খুব সম্প্রতি খোলা হয়েছে
আপনাকে চিন্তা করার সময় না দিয়ে হুট করে সিদ্ধান্ত নিতে অতিরিক্ত চাপ দেওয়া
অনলাইন দুনিয়ায় এই লক্ষণগুলো দেখা মাত্রই বুঝে নেবেন ডাল মে কুছ কালা হ্যায়! মনের ভেতর খটকা লাগলে কখনোই এগোবেন না।
TrustCheck BD ব্যবহার করা একদম সহজ, সম্পূর্ণ ফ্রি এবং এটি বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তার জন্য তৈরি করা হয়েছে।
টাকা পাঠানোর আগে আমাদের সার্চ বারে এসে ওই ফোন নম্বর, বিকাশ/নগদ অ্যাকাউন্ট বা ফেসবুক পেজের নাম লিখে সার্চ করুন। দেখে নিন তার নামে আগে কোনো অভিযোগ জমা পড়েছে কিনা।
আপনি যদি কোনো অনলাইন প্রতারণার শিকার হন বা কেউ ফাঁদ পাতার চেষ্টা করে, তবে প্রমাণসহ এখানে রিপোর্ট সাবমিট করুন। আপনার এই ছোট্ট অবদান অন্য কাউকে সুরক্ষিত রাখবে।
সারাদেশ থেকে প্রতিদিন মানুষ যেসব স্ক্যামের মুখোমুখি হচ্ছেন, তার লাইভ ডাটাবেজ স্ক্রোল করুন। প্রতারকদের নিত্যনতুন টেকনিকগুলো জানুন এবং নিজেকে ও পরিবারকে নিরাপদ রাখুন।
Facebook, Instagram ও WhatsApp-এ নিরাপদ থাকার উপায়
আমাদের দেশে বেশিরভাগ অনলাইন প্রতারণা সোশ্যাল মিডিয়া থেকেই শুরু হয়। এই সাধারণ অভ্যাসগুলো আপনাকে প্রতিদিন সুরক্ষিত রাখবে।
Facebook
Instagram
WhatsApp